• ১০ বৈশাখ ১৪৩৩, শনিবার ২৫ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trains

রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

৬ মে থেকে রাজ্যে বন্ধ সব লোকাল ট্রেন, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আগামিকাল থেকে বন্ধ লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। পরিবর্তন করা হল বাজার খোলা রাখার সময়েও। পরিবর্তন হচ্ছে ব্যাংক খোলার সময়ও। বুধবার শপথ গ্রহণের পরই রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর মুখ্যমন্ত্রী। শপথগ্রহণের পরই জানিয়ে দিয়েছিলেন, আপাতত করোনা মোকাবিলায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। সে কথা মাথায় রেখেই এদিন একাধিক নতুন নির্দেশ দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনই লকডাউনের পথে হাঁটলেন না মুখ্যমন্ত্রী। তিনি ঘোষণা করলেন: কাল থেকে বন্ধ রাজ্যের সমস্ত লোকাল ট্রেন। সরকারি পরিবহণ এবং মেট্রো চলবে ৫০ শতাংশ। বিমানযাত্রা ও দূরপাল্লার বাসযাত্রায় আরটিপিসিআর পরীক্ষা বাধ্যতামূলক। বিমানযাত্রার ৭২ ঘণ্টা আগে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করতে হবে। তবে রাজ্যে আসার পর ব়্যাপিড টেস্টে করোনা আক্রান্তের হদিশ পেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। এর ব্যবস্থা করবে বিমানবন্দর। বাজার খোলার সময় পরিবর্তন করা হল। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা, এবং বিকেল ৫টা থেকে সন্ধে সাতটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে বউবাজারের সোনার দোকান খোলা রাখার সময়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোনার দোকান দুপুর ১২টা থেকে ৩ পর্যন্ত খোলা থাকবে। ব্যাংক খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত। সরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মীর হাজিরা চালু। বেসরকারি অফিসে ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর। কলকারখানা, নির্মাণ ক্ষেত্রে হাজিরা ৫০ শতাংশ করা হল। গ্রামে থাকা ২ লক্ষ ৭৫ হাজার কোয়াক চিকিৎসককে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানো হচ্ছে। যাতে তাঁরা কোভিড চিকিৎসা করতে পারেন। বন্ধই থাকছে রেস্তরাঁ, শপিং মল, জিম, সুইমিং পুল, বিউটি পার্লার, স্পা, পাব, বার। রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষামূলক সমস্ত জমায়েত নিষিদ্ধ। বিয়েবাড়িতে সর্বাধিক ৫০ জন অতিথি উপস্থিত থাকতে পারবেন। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিবহণকর্মী, সংবাদকর্মী ও হকারদের অগ্রাধিকার। প্রথম ডোজের চেয়ে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ায় গুরুত্ব বেশি। কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হয়েছে সন্দেহ থাকলে মৃতের ব়্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করা হবে। যার রিপোর্ট দু-তিনঘণ্টার মধ্যে মিলবে। ফলে মর্গে দেহ জমা থাকবে না। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসায় জোর দেওয়া হবে। অর্থ সাহায্যের জন্য রাজ্যে দুটি ফান্ড চালু করা হল।এদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে অক্সিজেন, টিকা বন্টন নিয়ে স্বচ্ছ নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কেন্দ্রের কাছে ৫০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে দেশজুড়ে বিনামূল্যে টিকাকরণেরও দাবি জানিয়েছেন । ১০ হাজার রেমডেসেভির এবং তার বিকল্প হিসেবে টোসিজুমাব-এর হাজারটি ভায়াল চাওয়া হয়েছে। সবমিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসেই কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন মমতা।

মে ০৫, ২০২১
রাজ্য

কুয়াশার দাপটে রাজ্যে ব্যহত ট্রেন ও বিমান চলাচল

ঘন কুয়াশার দাপটে মঙ্গলবার সকালে নগরজীবনকে রীতিমতো বেহাল করে দিল। কুয়াশার চাদর ঠেলে চলতে না পেরে থমকে গেল রেল ও বিমান পরিষেবা। দেরিতে চলল লোকাল ট্রেনও। ভুগতে হল আমজনতাকে। আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির জেরে এই পরিস্থিতি। এদিন সকাল থেকেই ঘন কুয়াশায় জনজীবন কার্যত ওলটপালট হয়ে গিয়েছে তামাম দক্ষিণবঙ্গে। রেল-বিমানসড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। অনেক জায়গায় সকালে রীতিমতো ফগ লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। একই দশা ট্রেনেরও। কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা কম থাকায় হাওড়া, শিয়ালদহ-সহ বিভিন্ন শাখায় রেলের চাকা গড়িয়েছে শামুকের গতিতে। কয়েকটি জায়গায় দূরপাল্লার ট্রেনকে দীর্ঘক্ষণ বিভিন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত তৃণমূল বিধায়ক মৃগেন মাইতি কুয়াশার জেরে বিমান ওঠানামাও ব্যাহত। দৃশ্যমানতা কম থাকায় এই মুহূর্তে উঠছে না কোনও বিমান। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোরের দিকে এতটাই ঘন ছিল কুয়াশার চাদর যে বাধ্য হয়ে চালকদের সব ইন্ডিকেটর জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়েছে। অন্যদিকে জেলার ছবিটাও প্রায় একইরকম। মালদার ইংরেজবাজার, কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতেও দেখা গিয়েছে কুয়াশার পুরু আস্তরণ। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাতাসে রয়ে যাচ্ছে অতিরিক্ত জলীয় বাষ্প, যা কিনা ঠান্ডা আবহে কুয়াশার চেহারা নিচ্ছে। আবহাওয়াবিদদের কথায়, কুয়াশার পর্দা গাঢ় হলে একদিকে যেমন মেঘের মতো আস্তরণ তৈরি করে দেয়, তেমনই বাধা দেয় উত্তুরে হাওয়ার স্বাভাবিক আনাগোনাকে। দক্ষিণবঙ্গে এদিন এমনটাই হয়েছে। এদিন কলকাতার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

কালীপুজো ও ভাইফোঁটায় কম ট্রেন চালাবে মেট্রো

শনিবার কালীপুজো ও আগামী সোমবার ভাইফোঁটা উপলক্ষে কম ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল কতৃপক্ষ। তাদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে , শনি ও সোমবার উৎসবের দিন ১৫২ টি মেট্রো চলবে। ছুটি ও যাত্রী কম হওয়ার জন্য এই দু দিনের মেট্রো পরিষেবা কমবে। আরও পড়ুন ঃ রোজভ্যালি কর্তা গৌতম কুণ্ডুকে ফ্ল্যাট ও অফিস খালি করার নোটিস ইডির এই দু দিন কবি সুভাষ ও নোয়াপাড়া থেকে সকাল ৮টায় প্রথম মেট্রো ছাড়বে। দুই প্রান্ত থেকে শেষ মেট্রো ছাড়বে রাত ন টায়। প্রসঙ্গত , কাজের দিনগুলিতে ১৯০ টি মেট্রো চলাচল করে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে , সিদ্ধান্ত রেল-রাজ্য বৈঠকে

অফিস টাইমে ১০০ শতাংশ লোকাল ট্রেন চলবে। এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল রেল-রাজ্যের বৈঠকে। বুধবার থেকেই রা্জ্যে চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন। প্রথমদিনই অফিস টাইমে অনেক স্টেশনেই উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গিয়েছে ট্রেনগুলিতে। দ্বিতীয় দিনও তার অন্যথা হয়নি। সকলেই কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা করছে। এবার সেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় কীভাবে? তা নিয়েই বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে ফের বৈঠকে বসে রেল ও রাজ্য। গত রবিবার রাতেই পূর্ব-রেল ঘোষণা করেছিল, হাওড়া, শিয়ালদা ডিভিশন মিলিয়ে মোট ৬১৫টি লোকাল ট্রেন চলবে। কিন্তু বুধবার ৬৯৬টি লোকাল ট্রেন চলেছে বলে দাবি করে রেল। আরও পড়ুনঃ করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে টেট উত্তীর্ণদের নিয়োগ রাজ্যেঃ মমতা এদিন ভবানীভবনের বৈঠক থেকে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অফিস টাইমেই সবচেয়ে বেশি ভিড় হয়। ওইসময় ১০০ শতাংশ ট্রেন চালানোতে সহমত হয়েছে রেল। এখন যা ৭৫ শতাংশ চলছে। রেলের আধিকারিকরা জানান, আগে যেখানে ৩০ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাত্রা করত, এখন তার এক-তৃতীয়াংশ যাত্রী যাতায়াত করছেন। অর্থাৎ ১০ লক্ষ যাত্রী যাতায়াত করছেন। এক একটি ট্রেনে আগে যেখানে প্রায় ২ হাজার ২০০ যাত্রী উঠতেন, এখন সেখানে মাত্র এক হাজার ২০০ যাত্রী উঠছেন। কিছু কিছু স্টেশনে দেখা গিয়েছে, সাধারণ যাত্রী কোভিড-বিধির তোয়াক্কা করছেন না। তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয় এদিন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

আগামী বুধবার থেকে রাজ্যে চলবে লোকাল ট্রেন

টানা আট মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে ঘুরতে চলেছে লোকাল ট্রেনের চাকা। বৃহস্পতিবার নবান্নে রেল এবং রাজ্য প্রশাসনের তরফে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ আগামী বুধবার থেকে হাওড়া ও শিয়ালদা স্টেশনে প্রতিদিন ৩৬২ টি লোকাল ট্রেন চালু হবে। এরপর ধাপে ধাপে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। সব স্টেশনে ট্রেন দাঁড়াবে। এর জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রেল ও রাজ্য সরকার। আগের মতো কাউন্টার থেকে টিকিট কেটেই ট্রেনে ওঠা যাবে। তবে মাস্ক বাধ্যতামূলক। কোভিড বিধি মেনে ট্রেন চালানো হবে। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজোর মণ্ডপেও নো-এন্ট্রিঃ হাইকোর্ট কোন গেট দিয়ে যাত্রীরা স্টেশনে ঢুকবেন এবং কোন গেট দিয়ে বের হবেন তা আগে থেকে নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এর জন্য আরপিএফ-জিআরপি একসঙ্গে কাজ করবে। প্রতিটি স্টেশনে থাকবে স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা। রাজ্যের পক্ষ থেকে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে ছিলেন হাওড়া, শিয়ালদহ ও খড়্গপুরের ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজাররা। প্রথমে বৈঠকে ঠিক হয়, গ্যালোপিং ট্রেন প্রথম ধাপে চালু হবে। কিন্তু, পরবর্তীকালে ঠিক হয়, সাধারণ নিত্যযাত্রীদের কথা মাথায় রেখে গ্যালোপিং নয়।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালানো্র আবেদন জানিয়ে রেলকে চিঠি স্বরাষ্ট্রসচিবের

রেলকে ফের চিঠি লিখলেন পশ্চিমবঙ্গের স্বরাষ্ট্রসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী । রেলের কাছে তাঁর অনুরোধ , সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালাতে হবে। একমাত্র তাহলেই সমস্যার সমাধান সম্ভব বলে মনে করছে নবান্ন। তাঁর মতে , মাত্র ১০ শতাংশ ট্রেন চললে পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। বাদুড়ঝোলা ভিড় হবে ট্রেনগুলিতে। যেটা স্বাস্থ্য বিধি এবং সামাজিক দূরত্ববিধির পরিপন্থী। আরও পড়ুন ঃ দশ বছর ধরে ঘরছাড়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাল জোড়াসাঁকো থানার এসআই আর সেই কারণেই তিনি পর্যাপ্ত সংখ্যক ট্রেন চালানোর জন্য অনুরোধ করেছেন। প্রসঙ্গত , সোমবার নবান্নে রেল ও রাজ্যের বৈঠকে স্থির হয় , আপাতত ১০ শতাংশ ট্রেন চালু করা হবে। এরপর ধীরে ধীরে তা ২৫ শতাংশ হবে। এরপর এদিন স্বরাষ্ট্রসচিবের চিঠি পাওয়ার পর রেল কী সিদ্ধান্ত নেয় সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

ট্রাইবুনালে কেন মাত্র ১৩৯ জনের নাম উঠল! এবার হাইকোর্টে যাওয়ার পথ দেখাল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে উঠে এল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। ২৭ লক্ষ আবেদনের মধ্যে মাত্র ১৩৯টির নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানানো হয় আদালতে। এই পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে হাই কোর্টে আবেদন করা যেতে পারে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে জানান, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালের কাজ চলছে, কিন্তু নিষ্পত্তির সংখ্যা খুবই কম।এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি প্রয়োজন হয়, তাহলে মামলাকারীরা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন করতে পারেন। ট্রাইব্যুনালে নাম সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রেও হাই কোর্টে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।এদিকে, প্রথম দফার ভোট নিয়েও এদিন আদালতে আলোচনা হয়। রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রায় ৯২ শতাংশ ভোট পড়েছে এবং বহু পরিযায়ী শ্রমিকও এসে ভোট দিয়েছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বড় ধরনের কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে এত বেশি ভোটদানের হার দেখে তিনি খুশি। তাঁর মতে, মানুষ যখন ভোট দেয়, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতাও ভোটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এত বেশি ভোট পড়া একটি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং মোটের উপর নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তিনি প্রশংসা করেন।এই শুনানি ঘিরে একদিকে যেমন ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ হয়েছে, অন্যদিকে মামলার ধীরগতির বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগও সামনে এসেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

আপে বড় ভাঙন! রাঘব চাড্ডা সহ সাত সাংসদের বিজেপিতে যোগ

সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আম আদমি পার্টি ছাড়লেন রাঘব চাড্ডা। তিনি জানিয়েছেন, তিনি বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। তাঁর সঙ্গে আরও ছয় জন সাংসদও একই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং, স্বাতী মালিওয়াল, সন্দীপ পাঠক, অশোক মিত্তল, রাজিন্দর গুপ্তা এবং বিক্রম সাহানি।দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাঘব এই ঘোষণা করেন। তিনি জানান, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সংবিধানের নিয়ম মেনেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। তাঁর দাবি, বর্তমানে আপের দশ জন সাংসদের মধ্যে সাত জনই এই সিদ্ধান্তে সই করেছেন।সম্প্রতি তাঁকে রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁকে সংসদে কথা বলার সুযোগ না দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এই ঘটনার পর থেকেই দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বলে মনে করা হচ্ছে।দল ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাঘব বলেন, তিনি দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে দলকে সময় দিয়েছেন। কিন্তু এখন দল তার আদর্শ থেকে সরে গিয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, দল আর দেশের জন্য কাজ করছে না, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এতদিন তাঁর মনে হচ্ছিল তিনি সঠিক ব্যক্তি হলেও ভুল দলে রয়েছেন। তাই তিনি এখন মানুষের কাছে ফিরে গিয়ে নতুনভাবে কাজ করতে চান।এর আগে বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয় নিয়ে সংসদে সরব হয়েছিলেন রাঘব। মূল্যবৃদ্ধি, সস্তায় খাবার, পরিষেবা সংক্রান্ত নানা দাবি তুলেছিলেন তিনি। সেই নিয়েই দলের সঙ্গে মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে জানা যায়।এই দলবদল ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
কলকাতা

জনসভায় চোখে জল মমতার! ফিরহাদকে নিয়ে এমন কথা আগে শোনেননি

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করলেন। তিনি জানান, তাঁর মায়ের অসুস্থতার সময় তিন বোতল রক্তের প্রয়োজন হয়েছিল। তখন ফিরহাদ হাকিম নিজে এগিয়ে এসে রক্ত দিয়েছিলেন এবং তাঁর মায়ের প্রাণ বাঁচাতে সাহায্য করেছিলেন।মমতা বলেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে ফিরহাদের রক্তের গ্রুপ মিলে গিয়েছিল। সেই কঠিন সময়ে তিনি পাশে ছিলেন। শুধু তাই নয়, মায়ের মৃত্যুর সময়ও অনেক দায়িত্ব সামলেছিলেন ফিরহাদ। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি কোনও সমস্যা হলেই প্রথমে ফিরহাদকেই ফোন করেন।তিনি আরও বলেন, ফিরহাদ তাঁর পরিবারের সদস্যের মতো। তাঁর কথায়, ফিরহাদের মা ব্রাহ্মণ এবং বাবা মুসলমান। এই উদাহরণ খুব কমই দেখা যায়। এটাই ভারতের প্রকৃত চিত্র বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা জানান, তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় শেষকৃত্যের ব্যবস্থার দায়িত্বও তিনি ফিরহাদকেই দিয়েছিলেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে তিনিই সব কিছু দেখাশোনা করেছিলেন।একই সঙ্গে তিনি নিজের পরিবারের একটি ঘটনার কথাও বলেন। তাঁর বাড়িতে একটি ছেলের উপনয়ন অনুষ্ঠানের সময় ফিরহাদ এবং তাঁর স্ত্রী উপস্থিত ছিলেন এবং সেই অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশে অংশ নিয়েছিলেন।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি কখনও এই ধরনের ব্যক্তিগত কথা প্রকাশ্যে বলেন না। তবে তিনি সব সময় সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে চান। তাঁর কাছে সকল মানুষ সমান, সে যে ধর্ম বা সম্প্রদায়েরই হোক না কেন। সংকীর্ণ রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না বলেও স্পষ্ট জানান।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে মোদির বিস্ফোরক অভিযোগ! হাওড়া থেকে পাল্টা তোপ মমতার

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রচার আরও জোরদার হয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার দিয়ে দিন শুরু করলেও পরে একাধিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে গিয়ে জনসভা করেন তিনি। সেখান থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী।মোদি বলেন, একসময় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম সারা বিশ্বে সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হত। কিন্তু এখন সেখানে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, ক্যাম্পাসে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে এবং ছাত্রদের পড়াশোনার বদলে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করা হচ্ছে। তিনি জানান, সেখানে আবার পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা দরকার।এই বক্তব্যের পরই পাল্টা জবাব দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাংলার গর্ব এবং দেশের অন্যতম সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছাত্রদের প্রতিবাদকে অরাজকতা বলা ঠিক নয় বলেও জানান তিনি। তাঁর মতে, ছাত্র-যুবকদের মত প্রকাশের অধিকার রয়েছে।এদিকে প্রধানমন্ত্রী আরও দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটে তৃণমূল ভালো ফল করতে পারেনি এবং দ্বিতীয় দফায় বিজেপি আরও এগিয়ে যাবে। তাঁর কথায়, বিজেপি জিতলে রাজ্যে উন্নয়ন হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, যাদবপুরে শাসক দলের প্রভাব রয়েছে এবং দীর্ঘদিনের শাসনে বাংলার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভোটের আগে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এই মন্তব্য এবং পাল্টা মন্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

হাওড়া থেকে অভিষেকের বিস্ফোরণ! ‘প্রথম দফাতেই সেঞ্চুরি’, কাঁপছে বিজেপি

প্রথম দফার ভোট শেষ হতেই দ্বিতীয় দফার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই পরিস্থিতিতে হাওড়ায় এক জনসভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি নাম না করেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে কটাক্ষ করেন এবং ভোটের ফল নিয়েও বড় দাবি করেন।অভিষেক বলেন, তিনি কোনও রাজনৈতিক জ্যোতিষী নন, তবে আগে যখনই তিনি কোনও ফলাফল নিয়ে মন্তব্য করেছেন, তা সত্যি হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রথম দফার ভোটেই তৃণমূল সেঞ্চুরি করেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি এখন চাপে রয়েছে এবং নিজেদের ভাল ফল দেখাতে সাংবাদিকদের দিয়ে একটি নির্দিষ্ট ধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছে।অমিত শাহের মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে অভিষেক বলেন, বাইরে থেকে এসে বাংলার মানুষকে হুমকি দেওয়া ঠিক নয়। তিনি জানান, তিনি শুধু শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন, কোনও অশালীন কথা বলেননি। কিন্তু সেই মন্তব্যকে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক আরও বলেন, ভোটের ফল জানতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, আগামী কয়েক দিন অপেক্ষা করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তিনি বিজেপি নেতৃত্বকে ফল প্রকাশ পর্যন্ত বাংলায় থাকার কথাও বলেন।এই বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভোটের দ্বিতীয় দফার আগে এই ধরনের আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

‘ভাইপো ট্যাক্স বন্ধ হবে’! তৃণমূলকে নিশানা করে অমিত শাহর তীব্র আক্রমণ

উত্তর চব্বিশ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে জনসভা করে তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, আগামী ৫ তারিখের পর রাজ্যে আর তৃণমূল সরকার থাকবে না। সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, তখন আর কাটমানির নামে কাউকে কোনও টাকা দিতে হবে না।প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপি বড় সাফল্য পাবে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, ১৫২টি আসনের মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে জিতবে বিজেপি।বসিরহাটের প্রার্থী রেখা পাত্রের সমর্থনে এই সভায় এসে শাহ সন্দেশখালির ঘটনাও তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, ওই এলাকায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার হয়েছে এবং দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। নিয়োগ দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বহু টাকা নেওয়া হয়েছে এবং সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।অনুপ্রবেশের বিষয়েও তৃণমূলকে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি সরকার এলে তাদের খুঁজে বের করে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।গরু পাচারের প্রসঙ্গেও কড়া মন্তব্য করেন শাহ। তাঁর দাবি, শাসকদলের আশ্রয়ে এই ধরনের কাজ বেড়েছে। তিনি বলেন, সরকার বদল হলে এইসব বন্ধ করা হবে এবং যারা যুক্ত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সভা থেকে তিনি আরও বলেন, ভোটের আগে পরিস্থিতি শান্ত রাখা জরুরি, তবে তাঁর কিছু মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।হিঙ্গলগঞ্জের এই সভার পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
দেশ

ফের ঝড় রাজনীতিতে! মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরাতে বিরোধীদের বড় চাল

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সরাতে আবারও উদ্যোগ নিল বিরোধী শিবির। তাঁকে পদ থেকে অপসারণ করার জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব এবার রাজ্যসভায় জমা দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই প্রস্তাব লোকসভায় জমা পড়েছিল।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জ্ঞানেশ কুমার পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৯টি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতমূলক আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে বাধা সৃষ্টি এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ। জানা গিয়েছে, এই প্রস্তাবে ৭৩ জন বিরোধী সাংসদ সই করেছেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এর ঠিক আগের দিনই পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে ভোট হয়েছে এবং সেখানে রেকর্ড সংখ্যক ভোট পড়েছে। সেই ভোট পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাজের প্রশংসাও করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে।এর আগে প্রায় ৩০০ সাংসদের সই-সহ একটি ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আনা হয়েছিল। নিয়ম মেনে সেই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হয়। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই নোটিস খারিজ করে দেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এরপরই ক্ষুব্ধ বিরোধীরা নতুন করে প্রস্তাব আনার সিদ্ধান্ত নেয়।জানা গিয়েছে, আগেরবারের মতো এবারও এই উদ্যোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কয়েক দিন আগেই দলের এক নেতা জানিয়েছিলেন, ডিলিমিটেশন বিল আটকানোর পর এবার নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর জন্য নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এবার রাজ্যসভায় প্রস্তাব জমা দেওয়া হল।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬
রাজ্য

গঙ্গাবিহার নিয়ে মোদিকে তোপ মমতার! ‘যমুনায় ডুব দিয়ে দেখুন’

বঙ্গ সফরে এসে শুক্রবার সকালে গঙ্গায় নৌকাবিহার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি তিনি নিজেই সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন। এরপর হাওড়ার এক জনসভা থেকে এই বিষয়েই তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা বলেন, বাংলার গঙ্গা পরিষ্কার বলেই সেখানে নৌকাবিহার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এটি ভোটের সময়ের রাজনীতি এবং ছবি তোলার প্রচার। তিনি মোদিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গঙ্গায় নৌকাবিহার করা ভালো বিষয়, তিনিও বিভিন্ন সময়ে গঙ্গায় যান।এরপরই দিল্লির যমুনা নদীর দূষণের প্রসঙ্গ তুলে আক্রমণ করেন তিনি। মমতা বলেন, যমুনার দূষণ ভয়াবহ এবং মোদির উচিত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখা। তাঁর অভিযোগ, দিল্লির যমুনা পরিষ্কার রাখতে না পারলেও বাংলায় এসে গঙ্গাবিহার করছেন প্রধানমন্ত্রী।দিল্লিতে দূষণের সমস্যা নতুন নয়। প্রতি বছর শীতের সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। যমুনা নদীর দূষণ নিয়েও বহুবার অভিযোগ উঠেছে। নদীর জলে ফেনা দেখা যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। দিল্লির নির্বাচনের সময়ও এই বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে উঠেছিল।এই প্রেক্ষিতেই মোদির গঙ্গাবিহারকে ঘিরে রাজনৈতিক বক্তব্য আরও তীব্র হয়েছে। অন্যদিকে, বারাণসী থেকে কলকাতা পর্যন্ত যোগাযোগ উন্নত করার জন্য করিডর তৈরির ঘোষণা করা হয়েছে। সেই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই। এর মাঝেই বঙ্গের ভোট আবহে গঙ্গাবিহার নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal